বিটরুটের উপকারিতা ও অপকারিতা-গর্ভাবস্থায় বিটরুট খাওয়ার উপকারিতা

বিটরুটের উপকারিতা ও গর্ভাবস্থায় বিটরুট খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব আজকের এই আর্টিকেলটিতে। বিট রুট সম্পর্কে যারা বিস্তারিত জানতে চান তাদের জন্য আজকের এই আর্টিকেলটি। 

বিটরুট হচ্ছে এমন একটি সবজি যার মধ্যে রয়েছে ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ এছাড়াও রয়েছে বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান। যার জন্য এটি আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী। তাই আমরা আজকের আর্টিকেলটিতে বিটরুটের উপকারিতা ও গর্ভাবস্থায় বিটরুট উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব। 

পেজ সূচিপত্র: বিটরুট এর উপকারিতা ও অপকারিতা 

বিটরুট এর উপকারিতা ও অপকারিতা

বিটরুট হল এমন একটা সবজি যা মূলত শীতকালীন সবজি। তবে বর্তমানে সারা বছর জুড়েই পাওয়া যায় এই সবজি টি। এর প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি উপাদান রয়েছে যার কারণে এটি সুপার ফুড হিসেবেও পরিচিত। এইজন্য বিটরুটের উপকারিতা অনেক। কিন্তু এটা আমরা অনেকেই জানিনা যার কারণে আমরা এটা অনেকেই খেতে চায় না। আবার অনেকে আছেন যে এটা চেনেন না। এবং জানেন না কিভাবে খেতে হয়। কিন্তু এর উপকারিতা সম্পর্কে জানলে অনেকেই এটি খেতে আগ্রহী হবেন। তাহলে চলুন জেনে নেই বিটরুটের উপকারিতা সম্পর্কে

 
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে: বিটরুট রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি উপাদান যা আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী। তাই এটা নিয়মিত খেতে পারলে আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।
 
হজম শক্তি বৃদ্ধি করে: বিটরুট হচ্ছে একটি আঁশ জাতীয় খাবার আর আশ জাতীয় খাবার হজম শক্তি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। যাদের হজম সংক্রান্ত সমস্যা রয়েছে তারা নিয়মিত বিটরুট খেলে এই সমস্যা থেকে সহজেই পরিত্রাণ লাভ করতে পারবেন।  যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যর সমস্যা রয়েছে তারা বিটরুট খেতে পারেন। তাহলে কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা সহজে দূর হয়ে যাবে।
 
শারীরিক দুর্বলতা: যাদের শরীরের শক্তি কম শরীর দুর্বল দুর্বল লাগে তারা বিটরুট খেতে পারেন। কেননা এতে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি রয়েছে,। শরীরের শক্তি বৃদ্ধি করতে চাইলে আপনি  বিটরুটে খেতে পারেন।বিটরুট আপনার শরীরের শক্তি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে। তািই যারা শারীরিকভাবে দুর্বল রয়েছেন  তারা শারীরিকভাবে সবল হওয়ার জন্য  বিটরুট খেতে পারেন । 

ক্যান্সারের ঝুঁকি: বিটরুট ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে ও সাহায্য করে। এন্টিঅক্সিডেন্ট এবং বেটা সায়ানিন যা শরীরের কোষগুলিকে ফ্রি রেডিক্যাল থেকে রক্ষা করে, ফলে ক্যান্সার প্রতিরোধ সহায়ক হয়। বিশেষ করে এটি কোলন ক্যান্সার ও লিভার ক্যান্সার ঝুঁকি এর ঝুঁকি কমাতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে।

চোখের যত্নে: চোখের সমস্যায় বিট রোড বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।বিটরুট এ থাকা লুটেইন, আন্টি অক্সিডেন্ট চোখের সমস্যা ঝুঁকি কমায়। বিটরুট রয়েছে ফাইটোকেমিক্যাল যা চোখের স্বাস্থ্য এবং চোখের স্নায়ু টিস্যু গুলোর শক্তি বৃদ্ধি করে থাকে। তাই চোখ ভালো রাখতে নিয়মিত বিটরুট খেতে পারেন।

রক্তশূন্যতার ঝুঁকি কমায়: যাদের রক্তশূন্যতার ঝুঁকি রয়েছে তারা বিটরুট খেতে পারেন। বিটরুট রয়েছে আইরন যা রক্তে হিমোগ্লোবিন তৈরি করে রক্তস্বল্পতার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে থাকে।

ত্বকের যত্নে: নিয়মিত বিটরুট খেলে ত্বক অনেক সুন্দর থাকে এবং চেহারায় বার্ধকের ছাপ কমে যায়। বিটরুট পুষ্টি উপাদান গুলি ত্বক সুন্দর এবং বার্ধকের ছাপ পড়তে বাধা সৃষ্টি করে।

ওজন কমাতে সাহায্য করে:  বিটরুটে ওজন কমাতে সাহায্য করে থাকে কেননা  বিটরুটে রয়েছে ক্যালোরি এবং ফাইবার যা ক্ষুধার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে থাকে তো খাবার গ্রহণ করার প্রবণতা কমিয়ে দেয়। এইজন্য  বিটরুট  ওজন কমানো সাহায্য করে থাকে।

মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি: বিটরুটে রয়েছে নাইট্রেট উপাদান যা মস্তিষ্কে রক্তের প্রবাহ উন্নত করে এবং স্মৃতিশক্তি ও মানসিক ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে থাকে। এটি মানসিক দুর্বলতা প্রতিরোধে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।
ক্যান্সার প্রতিরোধে: বিটরুটে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা শরীরের কোষগুলিকে ফ্রি রেডিক্যাল থেকে রক্ষা করে যা ক্যান্সার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশেষ করে এটি কোলন ক্যান্সার ও লিভার ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে।

বিটরুটের অপকারিতা

বিটরুটএর উপকারিতা ও অপকারিতা দুটোই রয়েছে । উপরে আমরা বিটরুটের উপকারিতা নিয়ে আলোচনা করেছি এখন আমরা বিট্রোডের কিছু অপকারিতা সম্পর্কে জানব। যে কোন জিনিসের উপকারিতা থাকলে এর অপকারিতা রয়েছে তাই আমাদের দুটোই জানতে হবে এবং জেনে ব্যবহার করতে হবে বা খেতে হবে।  বিটরুট খেলে এর কিছু অপকারিতা লক্ষ্য করা যায়। চলুন এগুলো সম্পর্কে একটু জেনে নেই

  • বিটরুট বেশি পরিমাণে খাওয়া উচিত নয় কারণ এটি বেশি পরিমাণে খেলে বিটুরিয়া হতে পারে  হলে প্রসবের রং পরিবর্তন হয়ে গোলাপি বর্ণ ধারণ করে ফলে এটি চিন্তার কারণ হতে পারে।
  • বিটরুট বেশি পরিমাণে খেলে কিডনিতে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয় কেননা বিটরুটে থাকে অক্সালেট যা কিডনিতে পাথর হতে সাহায্য করে।
  • কিছু কিছু মানুষের এলার্জি সমস্যা রয়েছে যারা বিটরুট  বেশি পরিমাণে খেলে শরীরে এলার্জির প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় তাতে করে আপনার শরীর শরীরে চুলকানি ঠান্ডা লাগা জ্বর হওয়া ইত্যাদি সমস্যা দেখা দিতে পারে।
  • বিটরুট  উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে তাই যাদের উচ্চ রক্তচাপ কম তাদের ক্ষেত্রে বিটরুট  খাওয়া উচিত নয় কারণ এটি খেলে উচ্চ রক্তচাপ আরও কমে যাওয়া সম্ভব না থাকে।
  • গর্ভাবস্থায় বিটরুট খেলে মাথা ঘোরা বা ক্রান্তি ভাব বেড়ে যেতে পারে সেক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে বিটরুট  খাওয়া উচিত।
  • ডায়াবেটিকস থাকলে বিটরুট  খাওয়া উচিত নয় কেননা বিটরুট  গ্লাইসেমিক ইনডেক্স অত্যন্ত বেশি থাকে যা রক্তে সরকার আর মাত্রা বাড়িয়ে দিতে সাহায্য করে।

বিট রুটের পুষ্টি গুনাগুন 

বিট রুটের উপকারিতা অনেক কেননা এর পোস্টটি গুনাগুন ভরপুর এই বিট রুট। বিট রুট অনেক পুষ্টি উপাদান থাকাই এটি আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী। এটি খেলে আমাদের শরীরের বিভিন্ন পুষ্টির চাহিদা সহজেই পূরণ হয়ে যায়। কিন্তু আমরা অনেকেই জানিনা এর পুষ্টি গুনাগুন সম্পর্কে। তাই চলুন আজকে জেনে নেই বিট রুট এর পোস্টটি গুনাগুন সম্পর্কে 

  • প্রতি  ১00 গ্রাম বিটরুটে যে পরিমাণ পুষ্টি পাওয়া যায় তা হল 
  • ক্যালসিয়াম ১৭ মিলিগ্রাম 
  • প্রোটিন 0.৪২ মিলিগ্রাম 
  • চিনি ৮.৭৫ গ্রাম 
  • শক্তি ৩৮ কিলো ক্যালরি 
  • কার্বোহাইড্রেট ৮.৭৫ গ্রাম 
  • ম্যাগনেসিয়াম ১৭ মিলিগ্রাম 
  • ভিটামিন সি ২.৫ মিলিগ্রাম 
  • ফোলেট ৩০ মাইক্রগ্রাম 
  • ফসফরাস ১৭ মিলিগ্রাম 
  • আইরন ০.৭৫ মিলিগ্রাম 
  • পটাশিয়াম ২৪২ মিলিগ্রাম 
  • সোডিয়াম ৫৪ মিলিগ্রাম

গর্ভাবস্থায় বিটরুটের উপকারিতা 

বিটরুট এর উপকারিতা অনেক এজন্য গর্ভাবস্থায় বিট রুট খেলে অনেক উপকারিতা পাওয়া যায় ।গর্ভাবস্থায় মহিলাদের বিভিন্ন পুষ্টি গুণের সমস্যা দেখা দেয় ।অনেক ভিটামিনের অভাব দেখা দেয় এজন্য আপনি নিয়ম করে বিট রুট খেতে পারেন কেননা বিট রুটের প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি উপাদান রয়েছে। গর্ভ অবস্থায় খেতে পারেন তবে  কাঁচা খাওয়া থেকে শুরু করে জুস করে রান্না করেও খাওয়া যায়। চলুন তাহলে জেনে নেয়া যাক গর্ভাবস্থায়ী বিট রোড খাওয়ার উপকারিতা গুলো কি কি


কোষ্ঠকাঠিন্য দূরীকরণে: গর্ভাবস্থায় মহিলাদের একটা সাধারণ সমস্যা হচ্ছে কোষ্ঠকাঠিন্য। যেটা অনেক মহিলাদেরই হয়ে থাকে। আর এই কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা দূরীকরণে বিট রুটের ভূমিকা অপরিসীম। বিটরুটে উচ্চমাত্রার ভাইভা ফাইবার রয়েছে যার কারণে এটি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা সহজে দূর হয়ে যায়।

আয়রনের ঘাটতি কমাই: গর্ভাবস্থায় অনেক মহিলাদেরই আয়রনের সমস্যা দেখা দেয় এজন্য ডাক্তার বা চিকিৎসকরা বেশিরভাগ মহিলাদেরই আয়রন খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। বিট রুটের প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে তাই গর্ভাবস্থায় বিদ্রুট খেলে গর্ভবতী মায়েদের আয়রনের ঘাটতি অনেকটাই পূরণ হয়ে যায়। এইজন্য গর্ব অবস্থায় বিট রুটের খাওয়া অনেক উপকারী।

ওজন কমাতে সাহায্য করে: বিদ্রোত ওজন কমাতে সাহায্য করে থাকে এজন্য গর্ভাবস্থায় ওজন কমানো বা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য নিয়মিত বিট রুটের খাওয়া ভালো। বিট রুট শরীরের খারাপ কোলেস্টেরল কমিয়ে শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখতে সাহায্য করে থাকে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি: বিটরুটে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি উপাদান থাকায় এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। তাই এটি গর্ভাবস্থায় খেলে বিভিন্ন রোগের সমস্যা সহজে দূর হয়ে যায় এবং গর্ভে থাকা শিশুর মানবিক ত্রুটি এবং বিকাশ জনিত সমস্যাগুলার ঝুঁকি কমাতেও সাহায্য করে। ব্রণের সঠিক বিকাশ এবং বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে: যাদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে তারা নিয়মিত বিটরুট খেলে উচ্চ রক্তচাপ সহজে কমাতে পারেন। গর্ভাবস্থায় বিটরুট খেলে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকির সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যায়। এইজন্য গর্ব অবস্থায় খেতে পারেন।

বিটরুট  খাওয়ার নিয়ম

প্রতিটা জিনিসই খাওয়ার নিয়ম রয়েছে এবং নিয়মমাফিক খাওয়া উচিত কোন কিছুই নিয়মের বাইরে খাওয়া উচিত নয়। ঠিক সেই রকমই একটি ফল হচ্ছে বিট রোড যেমন পুষ্টিকর এবং স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী তাই একে যেমন তেমনভাবে খাওয়া উচিত নয় একে নিয়ম মাফিক খাওয়া উচিত। এর অনেক পুষ্টি গুনাগুন রয়েছে এর জন্য এর উপকারিতাও অনেক তাই বিদ্যুট আমাদের নিয়ম মাফিক খেতে হবে চলুন তাহলে জেনে নেই বেডরুট খাওয়ার নিয়ম গুলি বা কিভাবে খেতে হয়

কাঁচা অবস্থায়: বিটরুট  কাঁচা অবস্থাতেও খাওয়া যায়। বিটরুট  একটি ফল জাতীয় তাই এটি ফলের মত কাঁচা চিবিয়ে খাওয়া যায়। এজন্য বিটরুট  ভালোভাবে ধুয়ে উপরের আবরণটি ছড়িয়ে নিয়ে কুচি কুচি করে কেটে অথবা আস্ত ফলটিকে কামড়িয়ে ও খেতে পারেন।

সিদ্ধ করে খাওয়া: বিটরুট বিট রোড সিদ্ধ করেও খাওয়া যায় এইজন্য আপনাকে বীচরটি ভালো করে পরিষ্কার করে নিতে হবে এবং পানিতে সিদ্ধ করে নিতে হবে এরপর সিদ্ধ হওয়া আলাদা করে নিয়ে খেতে পারেন।
জুস করে: বিটরুট  জুস করে খাওয়া যায়। এর জুস গাজর ও পুদিনা পাতা একত্রে করে ব্লেন্ড করে নিয়ে জুস বানিয়ে খেতে পারেন। বিভিন্ন ফলের রসের সাথে মিক্সড করেও জুস খাওয়া যায়। জুসের সাথে সামান্য পানি লেবুর রস এবং লবণ ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে এরপর খাওয়ার উপযোগী হলে খেয়ে নিতে হবে।
পাউডার বানিয়ে খাওয়া যায়: বিটরুট পাউডার বানিয়েও খাওয়া যায়। এজন্য আপনাকে ভালোভাবে বিটরুট  ধুয়ে চাকা চাকা করে কেটে রোধে শুকিয়ে নিতে হবে এবং শুকিয়ে গেলে এটি ব্লেন্ড করে নিতে হবে । আর এই পাউডার গুলি পানির সাথে মিশিয়ে, স্মুদির বা শেকের সাথে মিশিয়ে, জুসের সাথে মিশিয়ে খাওয়া যায়।

প্রতিদিন কি পরিমান বিটরুট হওয়া উচিত

প্রতিটা জিনিসই খাওয়ার আগে জানতে হবে এটি কি পরিমান খাওয়া উচিত আর কি পরিমান খাওয়া উচিত নয় ।কেননা বেশি পরিমাণে কোন জিনিস খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী না এটি মাত্রাতিরিক্ত হয়ে গেলে শরীরের অনেক ক্ষতি হতে পারে ।তাই বিটরুট  ঠিক পরিমাণ মত খাওয়া উচিত কি পরিমান খাওয়া উচিত এটি আপনার স্বাস্থ্যের ওপর নির্ভর করবে। তবে প্রাপ্তবয়স্ক এবং কম বয়সীদের বিটরুট  খাওয়ার পরিমাণ এর তারতম্য রয়েছে। সবাই যে একই রকম খেতে পারবেন তা কিন্তু না।

একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি প্রতিদিন ৭৫ থেকে ১০০ গ্রাম বিটরুট  খেতে পারবেন। এই পরিমাণ খেলে আপনার শরীরের পর্যাপ্ত পুষ্টি পাবে এবং শরীরের বিভিন্ন সমস্যা এবং ভিটামিনের চাহিদা পূরণ হয়ে যাবে। আবার কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে ৪০ থেকে ৫০ গ্রাম পরিমাণ বিটরুট খাওয়া উচিত। তাহলে আপনার শরীরের বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়া সম্ভব ।তাই  প্রত্যেকেরই বিটরুট এর পরিমাণ জেনে খাওয়া উচিত তা না হলে স্বাস্থ্যের অনেক ক্ষতি হতে পারে।


পরিমাণ মেপে যে কোন জিনিস খেলে এটি শরীরের জন্য অনেক উপকার হয়। তাই পরিমাণ মতো মেপে খাওয়া উচিত পরিমাণ মেপে বিটরুট  খেলে শরীরের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আসে, রক্তস্বল্পতা  প্রতিরোধ করা যায়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, উচ্চ রক্তচাপের রোগীরা বিটরুট  খেলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে খাওয়া উচিত।

মন্তব্য: গর্ভাবস্থায় বিটরুট  খাওয়ার উপকারিতা

বিটরুটের উপকারিতা এবং গর্ভাবস্থায় বিটরুট  খাওয়ার উপকারিতা কোন ভাবে অস্বীকার করার উপায় নেই ।কেননা বিটরুটে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি উপাদান রয়েছে। এটি শরীরের জন্য অনেক উপকারী এবং সুস্থ ও সুন্দর জীবন যাপনেও সহায়তা করে থাকে। এটি শরীরকে বিভিন্নভাবে রোগ প্রতিরোধ, শরীরকে সুস্থ ও সবল রাখতে সাহায্য করে। বিটরুট  দিয়ে আমরা বিভিন্ন ধরনের পুষ্টিকর এবং সুস্বাদু খাবার তৈরি করতে পারি এর পুষ্টিগুণ এবং স্বাস্থ্য উপকারিতার কারণে এটি সুপার ফুড হিসাবেও পরিচিত। তাই প্রত্যেকেরই বিটরুট এর উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে জানা উচিত।

আশা করি আজকের এই আর্টিকেল থেকে আপনারা বিটরুট এর উপকারিতা এবং গর্ভাবস্থায় বিটরুট  খাওয়ার উপকারিতা ,বিটরুটের অপকারিতা, বিটরুট  খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরেছেন। বিটরুট এর অনেক পুষ্টিগুণ  রয়েছে যার জন্য এটি শরীরের জন্য অনেক উপকারী। তাই যারা বিটরুট  সম্পর্কে এখনো জানেন না তারা আজকের মাধ্যমে জেনে নেবেন এবং প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় বিটরুট রাখার চেষ্টা করবেন। অনেক সময় রোগীদের রক্ত কমে গেলে কিংবা রক্তের সমস্যা দেখা দিলে বিটরুট খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন তাই প্রত্যেকেরই বিটরুট খাওয়া উচিত।

আজকের আর্টিকেল থেকে আপনারা অনেক কিছু জানতে পারলেন তো এরকম নিত্য নতুন আর্টিকেল পেতে চাইলে আমাদের ওয়েবসাইট নিয়মিত ভিজিট করুন এবং আমাদের সাথেই থাকুন।









এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

রয়েল; আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url